https://ift.tt/eA8V8J
ঝিনাইদহ, ২৪ মে - ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ঝিনাইদহ জেলায় ঘরবাড়ি ও গাছপালাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে গাছ চাপা পড়ে সদর উপজেলায় মৃত্যু হয়েছে এক নারীর। এদিকে যাদের টিনের ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেশ। এ ঝড়ের তাণ্ডবে উড়ে গেছে ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের টিনের চাল। আর এতে বেড়েছে ঢেউটিন বিক্রি। আম্ফানের তাণ্ডবের পরদিন থেকে ঝিনাইদহ শহরের ঢেউটিনের দোকানগুলোতে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শহর ঘুরে টিনের দোকানগুলোতে অন্য সময়ের চেয়ে বর্তমানে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঝড়ে তাদের ঘরের চালের টিন নষ্ট হওয়ায় সেগুলো মেরামতের জন্য শহরের ঢেউটিন কিনতে দোকানে ভিড় করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে অভিযোগ উঠছে, এ সুযোগে বিক্রেতারা টিনের দাম কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছেন। সদর উপজেলার মধুপুর গ্রামের মো. টিটু বলেন, তার একটি মুরগির খামার ছিল। ঝড়ে খামারের চাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই টিন কিনতে এসেছেন তিনি। কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে ঢেউটিন কিনতে আসা সামছুল ইসলাম বলেন, এমন ঝড় আগে কখনও দেখিনি। আর এ ঝড়ে এলাকার প্রায় প্রতিটি বাড়ির টিনের চাল নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি বলেন, তার টিনের চালার তিন কক্ষের একটি ঘর ছিল। ঝড়ে দুটি ঘরের টিন উড়ে গেছে। এ অবস্থা এলাকার প্রায় লোকেরই হয়েছে। এ কারণে সবাই একযোগে টিন কিনতে এসেছি। তবে এ সুযোগে দোকানিরা আগের থেকে একটু বেশি দাম চাইছে। অপর ব্যক্তি মুস্তাক মিয়া জানান, কালীগঞ্জ বাজারে তার একটি চায়ের দোকান ছিল। ঝড়ে দোকানের টিন উড়ে গেছে। তাই টিন কিনতে এসেছেন তিনি। টিন ব্যবসায়ীরা জানান, অন্য সময়ের চেয়ে হঠাৎ এই ঝড়ের পর টিনের জোগানের তুলনায় চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। অনেক কোম্পানির টিন ফুরিয়ে গেছে। করোনার কারণে এর আগে তেমন বিক্রি ছিল না। ঝড়ের পরের দিন থেকে বেশ বিক্রি বেড়ে গেছে। তবে ঢেউটিনের দাম বেশি নেয়া হচ্ছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক না। সূত্র : জাগো নিউজ এন এইচ, ২৪ মে
https://ift.tt/3c03j34

0 Comments