আজ চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে ঈদুল আজহা

https://ift.tt/eA8V8J
চাঁদপুর, ৩১ জুলাই - সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা। দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে আগামী শনিবার (১ আগস্ট) ঈদ উৎসব পালনের ঘোষণা দেওয়া হলেও এসব গ্রামে ৯০ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন হচ্ছে। এবার করোনাভাইরাসের কারণে এসব গ্রামের ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত না হলেও স্থানীয় প্রতিটি মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে ঈদ জামাত। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাত করতে ইতোমধ্যেই মসজিদগুলোতেও নেওয়া হয়েছে প্রস্তুতি। এই দরবারের বর্তমান পীর মো. আরিফ চৌধুরী জানান, এই দরবারের প্রতিষ্ঠাতা পীর মাওলানা ইসহাক সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে রোজা ও ঈদ পালনের রেওয়াজ চালু করেন। আরও পড়ুন: শাহরাস্তিতে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ তিনি জানান, ১৯৩১ সাল থেকে সাদ্রা মাদ্রাসায় আমার দাদা এবং তার মৃত্যুর পর আমার বাবা ঈদ জামাতের ইমামতি করেছেন। বাবার মৃত্যুর পর থেকে আমি এর দায়িত্বে রয়েছি। তিনি বলেন, এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে এবার ঈদের জামাত ভাগ করে দিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে মসজিদে ঈদের জামাত হবে। আর কেন্দ্রীয় জামাতটি দারুজজখর খানকা শরীফ প্রাঙ্গণে সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাত করার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার ঈদ উদযাপিত হওয়া চাঁদপুরের গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল, শ্রীপুর, মনিহার, বরকুল, অলীপুর, বেলচোঁ, রাজারগাঁও, জাকনি, কালচোঁ, মেনাপুর, ফরিদগঞ্জ উপজেলার শাচনমেঘ, খিলা, উভারামপুর, পাইকপাড়া, বিঘা, উটতলী, বালিথুবা, শোল্লা, রূপসা, বাশারা, গোয়ালভাওর, কড়ইতলী, নয়ারহাট, মতলবের মহনপুর, এখলাসপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তির বেশ কয়েকটি গ্রাম। ৭নং পশ্চিম বড়কুল ইউনিয়নের সাদ্রা গ্রামের ইউপি মেম্বার মো. শফিকুর রহমান জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এলাকার মসজিদগুলোতে ঈদের জামাত শুরু হবে। জানা গেছে, ১৯২৮ সালে হাজীগঞ্জ রামচন্দ্রপুর মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের উদ্যোগ নেন। কিন্তু স্থানীয়দের অসহযোগিতার মুখে তা ভেস্তে যায়। সরকারি নিয়মের বাইরে গিয়ে একদিন আগে ঈদ পালনের উদ্যোগ নেওয়ায় অধ্যক্ষের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাকে। ওই বছরই নিজ গ্রাম সাদ্রায় ফিরে আসেন তিনি। ধনী ও প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান মাওলানা ইসহাক ওই বছরই নিজ গ্রামে ফিরে একই উদ্যোগ নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেন। গ্রামের অসহায় ও দুঃস্থদের আর্থিক সাহায্য দিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদসহ সব ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপন প্রথা চালু করেন। পরে তিনি দরবার শরীফ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন এন এইচ, ৩১ জুলাই
https://ift.tt/33dsVZQ

Post a Comment

0 Comments