https://ift.tt/eA8V8J
ঢাকা, ৩০ জুলাই - করোনাভাইরাসের মহামারিতে বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং সরকারের নির্ধারিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন মুদ্রানীতিকে সম্প্রসারণমূলক ও সংকুলানমুখী বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে মুদ্রানীতির এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সাধারণত সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। করোনাভাইরাসের কারণে এবার আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া শুধু ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে মুদ্রানীতি। যদিও আগে প্রতি ৬ মাসের আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু গত অর্থবছর থেকে তা ১ বছরের জন্য করা হচ্ছে। নতুন মুদ্রানীতিতে চলতি অর্থবছরের জন্য বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আগের বছরের মতোই অপরিবর্তিত রেখে ১৪.৮ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। আর সরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ৪৪.৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আরও পড়ুন: প্রায় দেড় যুগ পর ব্যাংক রেট কমে ৪ শতাংশ যদিও গত অর্থবছরে ঘোষিত মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক। একটি লিখিত বক্তব্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় নতুন বিনিয়োগ জোরদারকরণে বেসরকারি খাতে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধি পর্যাপ্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গভর্নর বলেন, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো চলমান করোনাভাইরাসজনিত মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করা এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে আর্থিক খাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নির্ধারণ করা। ২০২০-২১ এর মুদ্রানীতি ভঙ্গিকে স্পষ্টতই সম্প্রসারণমূলক ও সংকুলানমুখী উল্লেখ করে গভর্নর জানান, মুদ্রানীতির মূল কাজ হলো মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে স্বাভাবিক অর্থাৎ কোভিড-১৯ পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল এন এইচ, ৩০ জুলাই
https://ift.tt/39IowiO

0 Comments