https://ift.tt/eA8V8J
ইসলামাবাদ, ২৫ এপ্রিল - ক্রিকেটে এখন ঐতিহ্য আর বিনোদনের চেয়ে বাণিজ্যটাই বেশি প্রাধান্য পায়। যেমনটা হচ্ছে আইপিএল নিয়ে। করোনার কারণে ক্রিকেটের অনেক খেলাই স্থগিত বা বাতিল হয়ে গেছে। তবে আইপিএল বাতিল করতে কিছুতেই রাজি নয় ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। গত ২৯ মার্চ শুরু হওয়ার কথা ছিল এই টুর্নামেন্ট। সেটি পেছাতে পেছাতে প্রয়োজনে বছর শেষে নিয়ে যাবে, তবু টুর্নামেন্ট বাতিল করতে নারাজ আয়োজকরা। তাতেও কোনো সমস্যা ছিল না। মূল সমস্যাটা বেঁধেছে, অন্য টুর্নামেন্টের ওপর আইপিএলের প্রভাব বিস্তার নিয়ে। শোনা যাচ্ছে, প্রয়োজনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বা এশিয়া কাপ পিছিয়ে দেয়া হবে, তবু আইপিএল মাঠে গড়াবে। যেহেতু আইপিএলের সঙ্গে বিশ্বের বড় বড় খেলোয়াড়, কোচ, ধারাভাষ্যকারদের অর্থের হিসেব জড়িত; তাই তারাও এই টুর্নামেন্টকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন সবার আগে। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) কোনো ধরনের ছাড় দিতে নারাজ। এবারের এশিয়া কাপ সেপ্টেম্বরে, আয়োজক পাকিস্তান। প্রয়োজনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে খেলা হবে। কিন্তু পিসিবির প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম খান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আইপিএলের জন্য কিছুতেই এশিয়া কাপ পেছাবেন না তারা। ওয়াসিম খান বলেন, আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। এশিয়া কাপ সেপ্টেম্বরে হবে, একমাত্র যদি স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে তবে আলাদা কথা। এছাড়া আমরা আইপিএলকে সুবিধা করে দিতে এশিয়া কাপ পেছাতে পারব না। পিসিবির প্রধান নির্বাহী যোগ করেন, আমি এমন কথা শুনতে পাচ্ছি, এশিয়া কাপ নভেম্বর-ডিসেম্বরে নেয়া হবে। আমাদের জন্য সেটা সম্ভব নয়। যদি সেটা আপনি করেন, তবে তো শুধু এক সদস্য দেশকে সুবিধা দিলেন। এটা ঠিক হবে না। আমরা সেটা সমর্থনও করব না। ওয়াসিম খান জানান, নভেম্বর-ডিসেম্বরে পাকিস্তানের ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে সিরিজ এবং নিউজিল্যান্ড সফর আছে। ফলে এই সময়টায় এশিয়া কাপ আয়োজন সম্ভব নয়। আইপিএলের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও পেছানোর পথ দেখছেন না পিসিবির প্রধান নির্বাহী। তিনি বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দর্শক ছাড়াই হতে পারে। যদি আমরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি না খেলি, তবে প্রতিটি বোর্ড মোটামুটি ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন ডলারের মতো লোকসান করবে। সূত্র : জাগো নিউজ এন এইচ, ২৫ এপ্রিল
https://ift.tt/2KtPgHQ

0 Comments