ইসলামাবাদ, ১৬ এপ্রিল - করোনাভাইরাসের কারণে একের পর এক টুর্নামেন্ট, সিরিজ বাতিল হচ্ছে। কিন্তু ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) যে কোনো মূল্যে যেন আয়োজন করতেই হবে। সেজন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে যাক কিংবা বাতিল হোক এশিয়া কাপ! হ্যাঁ, বাতাসে জোর গুঞ্জন-আইপিএলকে জায়গা করে দিতে এবারের এশিয়া কাপটি বাতিলই হয়ে যেতে পারে। কেননা ভারত চাইছে করোনার বিপদ কাটার পর প্রথমেই আইপিএলটা যেন আয়োজন করা যায়। সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গত ২৯ মার্চ শুরু হওয়ার কথা ছিল আইপিএলের এবারের আসর। করোনার কারণে সেটি স্থগিত হয় ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। ভারতে লকডাউনের সময় আরও বেড়ে যাওয়ায় এখন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে আইপিএল, তবে বাতিল করা হয়নি। এ বছর একটুখানি সময় পেলেও আইপিএল আয়োজন করতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। তাতে সায় আছে বিশ্বের বড় বড় খেলোয়াড়দেরও। কারণ আইপিএল মাঠে গড়ালে তারা যতটা রোজগার করতে পারবেন, আইসিসি বা এসিসির টুর্নামেন্ট থেকে ততটা পারবেন না। সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের মাটিতে হওয়ার কথা এশিয়া কাপ। যদিও ভারতের আপত্তিতে সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন তো এই টুর্নামেন্টটিই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। করোনার প্রভাব কমলেও এশিয়া কাপ কি মাঠে গড়ানো সম্ভব হবে? অক্টোবর থেকে শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার আগেই আইপিএলটা আয়োজন করে ফেলতে চায় ভারত। প্রয়োজনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে দিয়ে হলেও। এশিয়া কাপের আয়োজক পাকিস্তান। দেশটির ক্রিকেট বোর্ড প্রধান এহসান মানি কি ভাবছেন? তিনি এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না। পিসিবি সভাপতি বলেন, আমরা আসলে জানি না এটা (টুর্নামেন্ট) হবে কি হবে না। তবে এই টুর্নামেন্টটা আয়োজন করা এশিয়ার দলগুলোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, উল্লেখ করে এহসান মানি বলেন, ক্রিকেটীয় কার্যক্রম শুরু হলে এশিয়া কাপ হওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে। কারণ এশিয়ান ক্রিকেটের উন্নয়ন এই টুর্নামেন্টের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। সেক্ষেত্রে আইপিএলের কারণে এশিয়া কাপ বাতিলের যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে সেটি বাতাসেই উড়িয়ে দিলেন পিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, আমি এমন গুঞ্জনের খবর পড়েছি, শুনেছি। এই মুহূর্তে শুধু এটাই জেনে রাখুন, এশিয়া কাপ হওয়া কিংবা না হওয়া শুধু পাকিস্তান আর ভারতের সিদ্ধান্তের ব্যাপার নয়। এতে অন্য দেশগুলোও জড়িত। সূত্র : জাগো নিউজ এন এইচ, ১৬ এপ্রিল

0 Comments